Thursday, May 29, 2008

একুশ ও আমাদের চেতনা

স্যার ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ নিয়ে একটি প্রবন্ধ রচনা করতে দিয়েছেন। নোট বই নিয়ে হিমশিম খাচ্ছি। এদিকে আবার কারেন্ট নেই। মোমবাতির টিমটিমে আলোয় কাজ চালাচ্ছি। হঠাত্‌ বাজখাঁই গলার কার যেন কণ্ঠস্বর শুনতে পেলাম, “ওটা কি লিখছ?” অতি সাধারণ প্রশ্ন। তাছাড়া আমি বেআইনী কিছু করছিলাম না। কিন্তু বাড়িতে কেউ ছিল না - মা বাবা বাইরে দাওয়াত খেতে গিয়েছিলেন। অন্ধকার আর আলো-ছায়ার প্রভাব আর সেসাথে নিস্তব্ধতা আমাকে এমন আচ্ছন্ন করে ফেলেছিল যে ঘটনার আকস্মিকতায় চমকে ওঠায় হাতের ধাক্কা লেগে মোমবাতিটাও নিভে গেল।



“ওটা কি লিখছিলে?” - কণ্ঠস্বর আবার শোনা গেল।



“ভা-ভা-ভাষা আন্দোলন” (ভয়ে আমার জিহ্বা আড়ষ্ঠ হয়ে গিয়েছিল)। “কিন্তু আপনি কে?”



“আমি?” হাসির শব্দ শোনা গেল। “ভাষা শহীদদের প্রতিনিধিত্বকারী কণ্ঠস্বর বলতে পার। নাম বললে হয়তো চিনতে পারতে, কিন্তু ওটা থাক।”



“আপনি হাসছেন কেন?” সভয়ে প্রশ্ন করলাম।



“বা:! হাসব না? হাসির কাজ করলে হাসব না? ”



“ভাষা আন্দোলনের রচনা লেখাটা কি হাসির কাজ?”



কণ্ঠস্বর প্রশ্নের জবাব না দিয়ে পাল্টা প্রশ্ন করলেন, “তোমার বই এর তাকের উপর কি বলতে পারো?”



আলো না থাকলেও উত্তরটা আমার জানা ছিল। ওখানে আমার বহুমূল্যবান হিন্দি ও ইংরেজি গানের ক্যাসেটের কালেকশন। প্রশ্নকর্তা জবাবের অপেক্ষা না করেই বললেন, “তোমার প্রিয় গান, সিনেমা সবই হিন্দি ও ইংরেজি তাই না? যে দেশী ভাষা, সংস্কৃতিকে ভালবাসে না, সে একুশের রচনা লিখবে ব্যাপারটা হাস্যকর বৈকি।”



এবার বক্তব্যের শ্লেষটা ধরতে পারলাম। প্রতিবাদে বললাম, “সব সময় যে হিন্দি-ইংরেজি নিয়ে পড়ে থাকি তা তো নয়? তাছাড়া সামনে একুশে ফেব্রুয়ারি আসছে, খালি পায়ে শহীদ মিনারে গিয়ে আমরা আপনাদের শ্রদ্ধা নিবেদনে ফুল দেব . . .।”



আমার বক্তব্য শেষ হতে না হতেই শুনতে পেলাম, “সে তো খুব ভালো কথা, ফুল দেবে। কিন্তু সে বছরের একদিন। বছরের অন্যদিন গুলোতে সেই খালি পায়ের শোক ঢাকতে হিন্দি-ইংরেজির বুট পড়ে লাথি মারবে। তোমরা বছরের একদিন বাঙ্গালী থাক, অবশিষ্ঠ দিন গুলোতে বাঙ্গালীও থাক না, ইংরেজও থাক না। শহীদ মিনারের ফুল যদি শ্রদ্ধা ভক্তির নিদর্শন হয় তবে Full Volume এ ছাড়া ইংরেজি-হিন্দি গান গুলো কিসের নিদর্শন?”



“তোমরা একুশের চেতনায় ঋদ্ধ হতে পার নি। একুশ একটা বিরাট ব্যাপার‌। বাঙ্গালি, বাংলাদেশীর রক্তের দামে কেনা এক গৌরবের অলঙ্কার এই একুশ, যা আমাদের মাতৃভাষায় কখা বলার সুযোগ দিয়েছে। পরাধীন যে দেশে শোষকের বিরুদ্ধে এইভাষার দাবীকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে আমরা বুলেটের সামনে বুক পেতে দিয়েছিলাম, আজ স্বাধীন দেশে তোমরা সে অধিকারকে সুলভে পেয়েও তার সদ্ব্যাবহার করছ না। লজ্জার কথা। একুশের চেতনাকে বুকে ধারণ করতে পার না বলেই তোমার এই একুশ নিয়ে লিখতে নোটবই ঘাটতে হয়। তোমার আদর্শ ঘাটতি তুমি নোট বই দিয়ে ঘোচাতে চাও, তাই না? তুমি যদি একুশের চেতনা বুঝতে, তবে বুঝতে পারতে আমাদের আপন ভাষা মাতৃভাষা বাংলাও এক রত্নভাণ্ডার। আমি ভিনজাতীয় ভাষাকে বর্জন করতে বলছি না, কিন্তু মাতৃভাষা ফেলে যো তাদের একেবারে পূজো করতে হবে এটাও তো ঠিক না। ধিক্ তোমাদের! (এক্ষেত্রে গলা আদ্র হয়ে আসে) যারা বাংলাকে ফেলে ভিনদেশীয় গানের তালে উণ্মত্ত হয়, ধিক্ তাদের! যাদের হৃদয়কে মাতৃভাষার আর্তি এতটুকুও ভেজাতে পারে না, ধিক্ ধিক্ ধিক্...!!”



হঠাত্ প্রচণ্ড শব্দে কলিংবেল বাজাতে চমকে উঠলাম। অন্ধকারে রচনা লিখতে লিখতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, কখন কারেন্ট এসেছে, টেরও পাইনি। মা-বাবা এসে পড়েছে। রাতে ঘুমাতে যাবার সময় স্বপ্নটার কথা আরেকবার মনে পড়ল। এই ধিক্কার, এই লজ্জা কার? এ লজ্জা আমার, এ লজ্জা আমাদের।



(এই ঘটনাটি সম্পূর্ণ কাল্পণিক এবং এর সাথে আমার কোন ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার সম্পর্ক নেই। তবে গল্পটিতে ইংরেজি-হিন্দির চাপে বাংলা ভাষার বর্তমান দুর্দশার চিত্র ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। গল্পটি নটরডেম কলেজের প্রকাশনা ঢাকঢোল / Chit Chat এর জানুয়ারী/ফেব্রুয়ারি ২০০০

স্যার ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ নিয়ে একটি প্রবন্ধ রচনা করতে দিয়েছেন। নোট বই নিয়ে হিমশিম খাচ্ছি। এদিকে আবার কারেন্ট নেই। মোমবাতির টিমটিমে আলোয় কাজ চালাচ্ছি। হঠাত্‌ বাজখাঁই গলার কার যেন কণ্ঠস্বর শুনতে পেলাম, “ওটা কি লিখছ?” অতি সাধারণ প্রশ্ন। তাছাড়া আমি বেআইনী কিছু করছিলাম না। কিন্তু বাড়িতে কেউ ছিল না - মা বাবা বাইরে দাওয়াত খেতে গিয়েছিলেন। অন্ধকার আর আলো-ছায়ার প্রভাব আর সেসাথে নিস্তব্ধতা আমাকে এমন আচ্ছন্ন করে ফেলেছিল যে ঘটনার আকস্মিকতায় চমকে ওঠায় হাতের ধাক্কা লেগে মোমবাতিটাও নিভে গেল।



“ওটা কি লিখছিলে?” - কণ্ঠস্বর আবার শোনা গেল।



“ভা-ভা-ভাষা আন্দোলন” (ভয়ে আমার জিহ্বা আড়ষ্ঠ হয়ে গিয়েছিল)। “কিন্তু আপনি কে?”



“আমি?” হাসির শব্দ শোনা গেল। “ভাষা শহীদদের প্রতিনিধিত্বকারী কণ্ঠস্বর বলতে পার। নাম বললে হয়তো চিনতে পারতে, কিন্তু ওটা থাক।”



“আপনি হাসছেন কেন?” সভয়ে প্রশ্ন করলাম।



“বা:! হাসব না? হাসির কাজ করলে হাসব না? ”



“ভাষা আন্দোলনের রচনা লেখাটা কি হাসির কাজ?”



কণ্ঠস্বর প্রশ্নের জবাব না দিয়ে পাল্টা প্রশ্ন করলেন, “তোমার বই এর তাকের উপর কি বলতে পারো?”



আলো না থাকলেও উত্তরটা আমার জানা ছিল। ওখানে আমার বহুমূল্যবান হিন্দি ও ইংরেজি গানের ক্যাসেটের কালেকশন। প্রশ্নকর্তা জবাবের অপেক্ষা না করেই বললেন, “তোমার প্রিয় গান, সিনেমা সবই হিন্দি ও ইংরেজি তাই না? যে দেশী ভাষা, সংস্কৃতিকে ভালবাসে না, সে একুশের রচনা লিখবে ব্যাপারটা হাস্যকর বৈকি।”



এবার বক্তব্যের শ্লেষটা ধরতে পারলাম। প্রতিবাদে বললাম, “সব সময় যে হিন্দি-ইংরেজি নিয়ে পড়ে থাকি তা তো নয়? তাছাড়া সামনে একুশে ফেব্রুয়ারি আসছে, খালি পায়ে শহীদ মিনারে গিয়ে আমরা আপনাদের শ্রদ্ধা নিবেদনে ফুল দেব . . .।”



আমার বক্তব্য শেষ হতে না হতেই শুনতে পেলাম, “সে তো খুব ভালো কথা, ফুল দেবে। কিন্তু সে বছরের একদিন। বছরের অন্যদিন গুলোতে সেই খালি পায়ের শোক ঢাকতে হিন্দি-ইংরেজির বুট পড়ে লাথি মারবে। তোমরা বছরের একদিন বাঙ্গালী থাক, অবশিষ্ঠ দিন গুলোতে বাঙ্গালীও থাক না, ইংরেজও থাক না। শহীদ মিনারের ফুল যদি শ্রদ্ধা ভক্তির নিদর্শন হয় তবে Full Volume এ ছাড়া ইংরেজি-হিন্দি গান গুলো কিসের নিদর্শন?”



“তোমরা একুশের চেতনায় ঋদ্ধ হতে পার নি। একুশ একটা বিরাট ব্যাপার‌। বাঙ্গালি, বাংলাদেশীর রক্তের দামে কেনা এক গৌরবের অলঙ্কার এই একুশ, যা আমাদের মাতৃভাষায় কখা বলার সুযোগ দিয়েছে। পরাধীন যে দেশে শোষকের বিরুদ্ধে এইভাষার দাবীকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে আমরা বুলেটের সামনে বুক পেতে দিয়েছিলাম, আজ স্বাধীন দেশে তোমরা সে অধিকারকে সুলভে পেয়েও তার সদ্ব্যাবহার করছ না। লজ্জার কথা। একুশের চেতনাকে বুকে ধারণ করতে পার না বলেই তোমার এই একুশ নিয়ে লিখতে নোটবই ঘাটতে হয়। তোমার আদর্শ ঘাটতি তুমি নোট বই দিয়ে ঘোচাতে চাও, তাই না? তুমি যদি একুশের চেতনা বুঝতে, তবে বুঝতে পারতে আমাদের আপন ভাষা মাতৃভাষা বাংলাও এক রত্নভাণ্ডার। আমি ভিনজাতীয় ভাষাকে বর্জন করতে বলছি না, কিন্তু মাতৃভাষা ফেলে যো তাদের একেবারে পূজো করতে হবে এটাও তো ঠিক না। ধিক্ তোমাদের! (এক্ষেত্রে গলা আদ্র হয়ে আসে) যারা বাংলাকে ফেলে ভিনদেশীয় গানের তালে উণ্মত্ত হয়, ধিক্ তাদের! যাদের হৃদয়কে মাতৃভাষার আর্তি এতটুকুও ভেজাতে পারে না, ধিক্ ধিক্ ধিক্...!!”



হঠাত্ প্রচণ্ড শব্দে কলিংবেল বাজাতে চমকে উঠলাম। অন্ধকারে রচনা লিখতে লিখতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, কখন কারেন্ট এসেছে, টেরও পাইনি। মা-বাবা এসে পড়েছে। রাতে ঘুমাতে যাবার সময় স্বপ্নটার কথা আরেকবার মনে পড়ল। এই ধিক্কার, এই লজ্জা কার? এ লজ্জা আমার, এ লজ্জা আমাদের।



(এই ঘটনাটি সম্পূর্ণ কাল্পণিক এবং এর সাথে আমার কোন ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার সম্পর্ক নেই। তবে গল্পটিতে ইংরেজি-হিন্দির চাপে বাংলা ভাষার বর্তমান দুর্দশার চিত্র ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। গল্পটি নটরডেম কলেজের প্রকাশনা ঢাকঢোল / Chit Chat এর জানুয়ারী/ফেব্রুয়ারি ২০০০

Friday, May 23, 2008

The IEEE Region 10 Student Congress 2008



THE Institute of Electrical and Electronic Engineers (IEEE) is the formal association of all Electrical, Electronic Engineers around the world. It is the largest professional organization of the world comprising of 370,000 members and 80,000 student member. The IEEE is divided into 10 regions around the world. The region 10 consists of all the countries of Asia Pacific. The region 10 holds a regional student congress in every two years. This year, the congress was held in Chennai, India. As the Chair of IEEE BUET Student Branch, I had the opportunity to attend the congress.


According to the IEEE Bangladesh Section, six of us were selected to attend the Region 10 Student Gold and WIE (Women in Engineering) Congress. They were Imtiaz Bhai, Lecturer of Department of EEE, BUET as the Chair of IEEE Gold Affinity Group of Bangladesh, Jahangir Sir, Assistant Professor of Ahsanullah UST and Student Activity Chair of IEEE Bangladesh Section, Jahangir Sir's wife and the WIE Chair Ismat Zerin , Lecturer of Daffodil University, the Vice Chair of BUET Student Branch Anika, the Chair of AUST Student Branch Rizvi Bhai, and I.

The congress unofficially began on 27th January, as most of the student delegates as well as the respected senior delegates had already arrived. Besides Bangladesh and the host country India, student delegates from Japan, Korea, China, Pakistan, Thailand, Macau, Malaysia, as well as from Australia and New Zealand came to the congress.

The theme of this R10 Student Congress was “IEEE for Youth Leveraging Social Networking for Professional Development”. It was an accurate commemoration of mankind's technical achievements and of IEEE's diverse network of young people. The congress had a common day, 28th January, with the GOLD/WIE congress being held during the same time.

28th January, we went to the Auditorium and registered for the even officially The day's program continued with a leadership presentation, and speeches by the President of IEEE, President Elect 2008 of IEEE John Vig, The Director of R10 Janina and Prof. Mini S. Thomas of IEEE Delhi Section.


In the Afternoon there was an Indian Cultural Program performed exclusively by the IEEE Student volunteers of Madras section with a variety of cultural items & folk dances, was greatly appreciated by all dignitaries and delegates.

The cultural activity was followed by the Student activities award ceremony which conferred awards to the winners of the various contests and new initiatives of the R10 SAC. Prof. Mini S. Thomas particularly mentioned about the BUET Student Branch which received the IEEE Enterprise Award 2006 competing with universities from all over the world.

On 29th January, we all gathered inside the auditorium with excitement and enthusiasm to enjoy the next day. The morning session started with a presentation by Cognizant Technologies, the principal sponsor for the student congress. The presentation was not one of the best events of the student congress, and many of us were nearly asleep when it ended. Then Prijoe Philips, the GOLD mentor for SAC of Region 10 got on to the stage.

The team building activities tested the creativity of the entire team and our ability to excel as a unit. It was amazing to see the way teams gave shape to their ideas. Each team were given 10 pieces of news papers, and asked to build a 'Taj Mahal' with them in 15 minutes. We divided the work in 10 segments and then built the segments and reunited them. Surprisingly each and every team could complete their Taj Mahals.

In the mean time, for the vibrant student branches of R10 Exhibition, the stalls of various student branches, about 19 in all, were set up for exhibition and evaluations. For our branch, I printed and laminated some pictures. Other branches made posters, banners, list of activities, and distributed annual magazines and pamphlets. The enthusiastically put up stalls proved to be tough to judge the winner, and it was only after a lot of discussion that the judges (Lewis Terman, President IEEE, John Vig, President Elect IEEE, and Roberto Marca, R9 Director) could decide the best four student-branches, BUET Bangladesh, NIT, Warangal, RASET, Kerala, and IGIT, Delhi.


In the group discussion session each of the groups was given a question to be discussed for 15 minutes. After that one of the team members had to go to the stage to highlight the main points. The suggestions were well appreciated by the dignitaries, Lew, John and Roberto.

After the exhibition and the group discussion it was time for the Multi Cultural show by the student delegates. There were lively songs and Kungfu from China, the Haka dance from New Zealand and the Kerala section presenting their entire culture in short pieces of dances and songs. Everyone just couldn't get enough of it! Unfortunately in an earlier incident Anika sprained her ankle, and we could not perform on stage.

The last day of the IEEE R10 Congress 2008 was packed with enriching presentations and nostalgic memories. The certificates were distributed among the delegates. The closing ceremony was followed by exchange of gifts amongst delegates as a token of remembrance and affection. The student congress gave the delegates a wonderful opportunity to interact with peers from all over Asia-Pacific.

Following the closing ceremony, a tour to Mahabalipuram a world heritage sight, built in the seventh century by the Kings of the Pallava dynasty was organized for the participants. The Mahabalipuram monuments are rock-cut and monolithic, constituted by cave temples, rathas (chariots), sculpted reliefs and structural temples with beautiful beaches, which caught all of us spell bound.

After the congress, we had to take the same tiring 28 hours journey to Kolkata, stayed overnight there, and took the bus from Salt Lake, Kolkata to Dhaka. The bus journey took 16 hours, with a 2 hours stand still at Aricha Ferry Ghat. The worst part was, I had to attend class from 8:00 AM the next day.

The congress is over now. But I actually made a lot of new friends there, now we keep in contact through facebook and email. There is George from New Zealand, Dipankar and Ankita from Delhi, Zeeshan from Bangalore and many many more. I wish we could organize such an international student congress in Bangladesh so that we could also share the technical as well as the non technical knowledge from engineering students of different countries of the world.


published in the Star Campus:
http://www.thedailystar.net/campus/2008/04/03/feature_IEEE.htm
Chair, IEEE BUET Student Branch
& UG Student, Department of EEE, BUET

THE Institute of Electrical and Electronic Engineers (IEEE) is the formal association of all Electrical, Electronic Engineers around the world. It is the largest professional organization of the world comprising of 370,000 members and 80,000 student member. The IEEE is divided into 10 regions around the world. The region 10 consists of all the countries of Asia Pacific. The region 10 holds a regional student congress in every two years. This year, the congress was held in Chennai, India. As the Chair of IEEE BUET Student Branch, I had the opportunity to attend the congress.


According to the IEEE Bangladesh Section, six of us were selected to attend the Region 10 Student Gold and WIE (Women in Engineering) Congress. They were Imtiaz Bhai, Lecturer of Department of EEE, BUET as the Chair of IEEE Gold Affinity Group of Bangladesh, Jahangir Sir, Assistant Professor of Ahsanullah UST and Student Activity Chair of IEEE Bangladesh Section, Jahangir Sir's wife and the WIE Chair Ismat Zerin , Lecturer of Daffodil University, the Vice Chair of BUET Student Branch Anika, the Chair of AUST Student Branch Rizvi Bhai, and I.

The congress unofficially began on 27th January, as most of the student delegates as well as the respected senior delegates had already arrived. Besides Bangladesh and the host country India, student delegates from Japan, Korea, China, Pakistan, Thailand, Macau, Malaysia, as well as from Australia and New Zealand came to the congress.

The theme of this R10 Student Congress was “IEEE for Youth Leveraging Social Networking for Professional Development”. It was an accurate commemoration of mankind's technical achievements and of IEEE's diverse network of young people. The congress had a common day, 28th January, with the GOLD/WIE congress being held during the same time.

28th January, we went to the Auditorium and registered for the even officially The day's program continued with a leadership presentation, and speeches by the President of IEEE, President Elect 2008 of IEEE John Vig, The Director of R10 Janina and Prof. Mini S. Thomas of IEEE Delhi Section.


In the Afternoon there was an Indian Cultural Program performed exclusively by the IEEE Student volunteers of Madras section with a variety of cultural items & folk dances, was greatly appreciated by all dignitaries and delegates.

The cultural activity was followed by the Student activities award ceremony which conferred awards to the winners of the various contests and new initiatives of the R10 SAC. Prof. Mini S. Thomas particularly mentioned about the BUET Student Branch which received the IEEE Enterprise Award 2006 competing with universities from all over the world.

On 29th January, we all gathered inside the auditorium with excitement and enthusiasm to enjoy the next day. The morning session started with a presentation by Cognizant Technologies, the principal sponsor for the student congress. The presentation was not one of the best events of the student congress, and many of us were nearly asleep when it ended. Then Prijoe Philips, the GOLD mentor for SAC of Region 10 got on to the stage.

The team building activities tested the creativity of the entire team and our ability to excel as a unit. It was amazing to see the way teams gave shape to their ideas. Each team were given 10 pieces of news papers, and asked to build a 'Taj Mahal' with them in 15 minutes. We divided the work in 10 segments and then built the segments and reunited them. Surprisingly each and every team could complete their Taj Mahals.

In the mean time, for the vibrant student branches of R10 Exhibition, the stalls of various student branches, about 19 in all, were set up for exhibition and evaluations. For our branch, I printed and laminated some pictures. Other branches made posters, banners, list of activities, and distributed annual magazines and pamphlets. The enthusiastically put up stalls proved to be tough to judge the winner, and it was only after a lot of discussion that the judges (Lewis Terman, President IEEE, John Vig, President Elect IEEE, and Roberto Marca, R9 Director) could decide the best four student-branches, BUET Bangladesh, NIT, Warangal, RASET, Kerala, and IGIT, Delhi.


In the group discussion session each of the groups was given a question to be discussed for 15 minutes. After that one of the team members had to go to the stage to highlight the main points. The suggestions were well appreciated by the dignitaries, Lew, John and Roberto.

After the exhibition and the group discussion it was time for the Multi Cultural show by the student delegates. There were lively songs and Kungfu from China, the Haka dance from New Zealand and the Kerala section presenting their entire culture in short pieces of dances and songs. Everyone just couldn't get enough of it! Unfortunately in an earlier incident Anika sprained her ankle, and we could not perform on stage.

The last day of the IEEE R10 Congress 2008 was packed with enriching presentations and nostalgic memories. The certificates were distributed among the delegates. The closing ceremony was followed by exchange of gifts amongst delegates as a token of remembrance and affection. The student congress gave the delegates a wonderful opportunity to interact with peers from all over Asia-Pacific.

Following the closing ceremony, a tour to Mahabalipuram a world heritage sight, built in the seventh century by the Kings of the Pallava dynasty was organized for the participants. The Mahabalipuram monuments are rock-cut and monolithic, constituted by cave temples, rathas (chariots), sculpted reliefs and structural temples with beautiful beaches, which caught all of us spell bound.

After the congress, we had to take the same tiring 28 hours journey to Kolkata, stayed overnight there, and took the bus from Salt Lake, Kolkata to Dhaka. The bus journey took 16 hours, with a 2 hours stand still at Aricha Ferry Ghat. The worst part was, I had to attend class from 8:00 AM the next day.

The congress is over now. But I actually made a lot of new friends there, now we keep in contact through facebook and email. There is George from New Zealand, Dipankar and Ankita from Delhi, Zeeshan from Bangalore and many many more. I wish we could organize such an international student congress in Bangladesh so that we could also share the technical as well as the non technical knowledge from engineering students of different countries of the world.

published in the Star Campus:
http://www.thedailystar.net/campus/2008/04/03/feature_IEEE.htm

Chair, IEEE BUET Student Branch
& UG Student, Department of EEE, BUET



Thursday, May 8, 2008

A PC to uC IR Messaging system

Here is a term project I did last month. The objective is simple. To transmit a IR message from PC to a receiver module few feet apart and show it on LCD. I created my own protocol for it, while another group used the RS232 protocol, just replacing the copper wire with IR beams.

The project mainly focuses on the development and implementation of a serial communication protocol. There are two parts for this purpose: the Software at the PC, and the firmware of the microcontroller, along with the circuitry. A text is entered at the PC end and a 32 character substring of the text is sent via infrared link to the microcontroller. The modulation technique employed is Pulse Duration Modulation for the data, and the character transmission rate for worst case is 18.18 / sec. The firmware supports to checking device ID. Each character sent must have the same device ID with the microcontroller in order to display it in the LCD.

Components Used:
Atmega32 Microcontroller 4MHz Crystal Shielded IR Receiver (3 pin)IRF840 MOSFET LCD Module (HD17238 Controller) 4081 And Gate 7805 Voltage RegulatorBC547 Transistor (2) 555 timer IC Resistors 10K, 1K, 100R Capacitors 0.01u, 4700uF, 4.7uFBreadboard & Breadboard wire


The text is first converted to a binary data stream. Each character is represented by 17 bits. Each Data frame sends the character, device ID and location of the character:




















































Device ID


ASCII Value of Character


Location of Char.


Parity


1


0


1


1


0


0


1


1


0


1


0


0


0


0


0


1


1





















If the 1, 0 binary data were transmitted directly, it would be difficult to guess where the data stream is started. That is why the binary data were converted into a pulse duration modulated wave.


This data was output from the PC Parallel port. This signal was modulated at 38 kHz using On-Off-Keying (OOK). The IR receiver demodulates 38 kHz



Here a pulse duration modulation is used: A 4 sec high pulse means transmission start. A 2 ms high pulse means 1 A 1 ms high pulse means 0 A 4ms high pulse means the data-frame is starting to transmit The protocol is made from the scratch without any help from built in USART receivers of the microcontrollers. The protocol was implemented using the input capture feature of the microcontroller. A timer inside the microcontroller was configured to count up at 0.5MHz speed once in every 8 clock pulses.


Algorithm

Trigger in each transition of the IR receiver output.

1. Check: Is it rising or falling edge?

a. Falling Edge: Set Couter = 0

b. Rising Edge: pulseduration = counter_value

Is pulseduration = 4ms at 25% tolerance?

Yes: Was transmission going on (set transmissionstart = =true)?

Yes: Discard current packet and set transmissionstart = false

No: set transmissionstart = true; nbit = 0

Was transmission going on (set transmissionstart = =true)?

is pulseduration = 2ms at 25% tolerance?

Yes: nbit th bit is 1,

is pulseduration = 1ms at 25% tolerance?

Yes: nbit th bit is 0,

If none of the above pulsewidth conditions met then discard current packet

Increment nbit

is nbit is equals to 17?

Yes: form deviceID with first 3 bits

Is deviceID equals to programmed deviceID?


No: Discard data pa
cket and exit
Form character with next 8 bits, and locationint with next 5 bits

Calculate parity with XORing the 16 bits

Does Calculated parity match received parity?

No: Discard data packet and exit

Yes: Update the value of text string’s locationintth

Location with the received character.


Circuit Diagram:

Transmitter:


Receiver:


Limitation
1.The PC side software was written with Visual Studio 2008. But the PC used did not meet the minimum requirements to run the software. As a result the PC side software was very slow, and thus the data transfer rate needed to be slowed down.
2. The PC software sends 32 characters regardless of the number of characters in the input stream. The remaining characters are filled up with white space characters. This might be overcome by keeping a command for clearing screen in the firmware of the microcontroller.
3. The PC software was configured to send 32 characters only. It could not send more than that at a time.
P
ictures:






Full Files:

http://www.edaboard.com/viewtopic.php?p=1084270

http://www.avrfreaks.net/index.php?module=Freaks%20Academy&func=viewItem&item_id=1630&item_type=project
Here is a term project I did last month. The objective is simple. To transmit a IR message from PC to a receiver module few feet apart and show it on LCD. I created my own protocol for it, while another group used the RS232 protocol, just replacing the copper wire with IR beams.

The project mainly focuses on the development and implementation of a serial communication protocol. There are two parts for this purpose: the Software at the PC, and the firmware of the microcontroller, along with the circuitry. A text is entered at the PC end and a 32 character substring of the text is sent via infrared link to the microcontroller. The modulation technique employed is Pulse Duration Modulation for the data, and the character transmission rate for worst case is 18.18 / sec. The firmware supports to checking device ID. Each character sent must have the same device ID with the microcontroller in order to display it in the LCD.

Components Used:
Atmega32 Microcontroller 4MHz Crystal Shielded IR Receiver (3 pin)IRF840 MOSFET LCD Module (HD17238 Controller) 4081 And Gate 7805 Voltage RegulatorBC547 Transistor (2) 555 timer IC Resistors 10K, 1K, 100R Capacitors 0.01u, 4700uF, 4.7uFBreadboard & Breadboard wire



The text is first converted to a binary data stream. Each character is represented by 17 bits. Each Data frame sends the character, device ID and location of the character:




















































Device ID


ASCII Value of Character


Location of Char.


Parity


1


0


1


1


0


0


1


1


0


1


0


0


0


0


0


1


1




















If the 1, 0 binary data were transmitted directly, it would be difficult to guess where the data stream is started. That is why the binary data were converted into a pulse duration modulated wave.

This data was output from the PC Parallel port. This signal was modulated at 38 kHz using On-Off-Keying (OOK). The IR receiver demodulates 38 kHz



Here a pulse duration modulation is used: A 4 sec high pulse means transmission start. A 2 ms high pulse means 1 A 1 ms high pulse means 0 A 4ms high pulse means the data-frame is starting to transmit The protocol is made from the scratch without any help from built in USART receivers of the microcontrollers. The protocol was implemented using the input capture feature of the microcontroller. A timer inside the microcontroller was configured to count up at 0.5MHz speed once in every 8 clock pulses.


Algorithm

Trigger in each transition of the IR receiver output.

1. Check: Is it rising or falling edge?

a. Falling Edge: Set Couter = 0

b. Rising Edge: pulseduration = counter_value

Is pulseduration = 4ms at 25% tolerance?

Yes: Was transmission going on (set transmissionstart = =true)?

Yes: Discard current packet and set transmissionstart = false

No: set transmissionstart = true; nbit = 0

Was transmission going on (set transmissionstart = =true)?

is pulseduration = 2ms at 25% tolerance?

Yes: nbit th bit is 1,

is pulseduration = 1ms at 25% tolerance?

Yes: nbit th bit is 0,

If none of the above pulsewidth conditions met then discard current packet

Increment nbit

is nbit is equals to 17?

Yes: form deviceID with first 3 bits

Is deviceID equals to programmed deviceID?

No: Discard data pa
cket and exit

Form character with next 8 bits, and locationint with next 5 bits

Calculate parity with XORing the 16 bits

Does Calculated parity match received parity?

No: Discard data packet and exit

Yes: Update the value of text string’s locationintth

Location with the received character.

Circuit Diagram:

Transmitter:


Receiver:


Limitation
1.The PC side software was written with Visual Studio 2008. But the PC used did not meet the minimum requirements to run the software. As a result the PC side software was very slow, and thus the data transfer rate needed to be slowed down.
2. The PC software sends 32 characters regardless of the number of characters in the input stream. The remaining characters are filled up with white space characters. This might be overcome by keeping a command for clearing screen in the firmware of the microcontroller.
3. The PC software was configured to send 32 characters only. It could not send more than that at a time.
P
ictures:






Full Files:

http://www.edaboard.com/viewtopic.php?p=1084270

http://www.avrfreaks.net/index.php?module=Freaks%20Academy&func=viewItem&item_id=1630&item_type=project